খুঁজুন
রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ১১ শ্রাবণ, ১৪৩৩

সাংবাদিকের ছদ্মবেশে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল| আতংকে তিন সন্তানের জননী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৫ জুলাই ২০২৬, ৪:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সাংবাদিকের ছদ্মবেশে ধর্ষণ ও ব্ল্যাকমেইল| আতংকে তিন সন্তানের জননী

ছবিতে অভিযুক্ত

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের নালিয়াটেকি গ্রামে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকের ছদ্মবেশে একাধিক বিবাহিত নারীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ উঠেছে মোঃ সজিব (৩৫) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে ভুক্তভোগী শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করলে নতুন করে আলোচনায় আসে তার পুরোনো অপরাধের ইতিহাস। স্থানীয়রা অভিযুক্ত সজিবকে ‘ভয়ংকর রেপিস্ট’ আখ্যা দিয়ে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

শিক্ষাজীবনের পতন ও অপরাধী চরিত্রের উত্থান

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সজিব বিল্লাল পালোয়ানের ছেলে। তিনি ২০১২ সালে এসএসসি পাস করার পর ধলাদিয়া ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু সেখানে নিয়মিত পড়ালেখা না করায় তিনি দ্রুত পড়াশোনা থেকে ঝরে পড়েন। পরে তিনি মুন্সীগঞ্জ পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ডিপ্লোমা programme-এ ভর্তি হলেও পঞ্চম সেমিস্টার পর্যন্ত কোন সেমিস্টারেই পাস করেননি। শিক্ষাজীবনের এই ব্যর্থতাই তাকে অপরাধের পথে ঠেলে দেয় বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে প্রতারণা ও নারী নির্যাতন: পড়ালেখা ছেড়ে দেওয়ার পর সজিব নিজেকে সাংবাদিক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। কিন্তু তার প্রকৃত উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময় মানুষকে নিজেকে উচ্চ শিক্ষিত হিসেবে পরিচয় দিতেন। তিনি স্থানীয় বিবাহিত নারীদের পারিবারিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করতেন এবং গোপনে তা ভিডিও ধারণ করতেন। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে তিনি তাদের মানসিকভাবে ব্ল্যাকমেইল করতেন। এমনকি ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে তিনি নারীদের যৌন ব্যবসায় বাধ্য করার চেষ্টা করতেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এছাড়াও তিনি বিভিন্ন দপ্তরে দালালি ও সাংবাদিক পেশা ব্যবহার করে প্রতারণা করেছেন। জমির নামজারির নামে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। সমাজের পারিবারিক ছোটখাটো বিষয়কে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দুই পরিবারের মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করেছেন। মাদকসহ বিভিন্ন অপকর্মেও তার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

একাধিক মামলা ও পূর্বের কারাদণ্ড:
পুলিশ জানিয়েছে, সজিবের বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় এর আগেও একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তিনি এর আগে ধর্ষণ মামলায় কারাভোগও করেছেন। তবে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসেও তিনি তার অপরাধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত ছিলেন না। সম্প্রতি তিনি আবারও এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। ওই নারী সাহস করে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ আবারও তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে।

ভুক্তভোগীর বর্ণনা ও প্রতিক্রিয়া:
মামলার বাদী ওই গৃহবধূ জানিয়েছেন, সজিব তাকে বিশ্বাসের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে এবং পরে ভিডিও ধারণ করে তাকে হুমকি দেয়। তিনি দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পর শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যেন সজিবের মতো প্রতারক আর কাউকে শিকার করতে না পারে।

পুলিশের অবস্থান ও গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা:
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, *"আমরা ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। অভিযুক্ত সজিবকে গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তার আগের অপরাধের রেকর্ডও আমাদের কাছে আছে। আমরা দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছি।"

স্থানীয় জনমত ও দাবি:
স্থানীয় বাসিন্দারা সজিবের এই কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তারা বলছেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এই অপরাধ করে আসছিল কিন্তু ভয়-ভীতির কারণে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেত না। সম্প্রতি ভুক্তভোগী সাহস করে মামলা করায় অন্য নির্যাতিত নারীরাও আইনের কাছে ন্যায়বিচার চাইবেন বলে আশা করছেন স্থানীয়রা। তারা প্রশাসনের কাছে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যেন এ ধরনের অপরাধ পুনরায় না ঘটে।

আইনজীবীদের মতামত:
আইনজীবীরা বলছেন, সজিবের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা—এই তিনটি ধারায় একযোগে মামলা হওয়া উচিত। তারা বলেন, ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করা সাইবার অপরাধও বটে। তাই এ মামলায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনও প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে।

সাংবাদিকতার মহান পেশাকে ব্যবহার করে এক ব্যক্তি যখন অপরাধী কর্মকাণ্ড চালায়, তখন তা সমাজে আতঙ্ক ছড়ায়। সজিবের এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে যে, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণের সজাগ দৃষ্টি থাকা আবশ্যক যেন এই ধরনের ছদ্মবেশী অপরাধীরা সমাজের শান্তি নষ্ট করতে না পারে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ৩:০৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার কারনে আগুন দেন দোকানে

আগুনে ভস্মীভূত দোকান

এম এ হাই |সাঁথিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি: 

সাঁথিয়ার বড়গ্রামে আলমগীর হোসেন বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে গত ২৩ জুন রাত অনুমান ১ টার দিকে কে বা কাহারা আগুন ধরিয়ে দেন। আগুনের লেলিহান শিখায় মুহূর্তের মধ্যে ঘরে রাখা পেঁয়াজ এবং ঘরটি আগুনে পুড়ে ভূষ্মীভূত হয়। এতে করে আলমগীরের প্রায় ৮ লক্ষ  টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে তিনি জানান। 

সরেজমিন এবং অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাঁথিয়ার আতোসোভা বড়গ্রাম বাজারে দোকানে গত  ৮ জুলাই দিবাগত রাত দুইটার দিকে  আগুন লাগার  সংবাদ পাইয়া আলমগীরসহ কিছু লোকজন  ঘটনাস্থলে যায় এবং দোকান ঘরে আগুন জ্বলতে দেখিয়া ডাকচিৎকার করিলে স্থানীয় লোকজনসহ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসিয়া দোকানের আগুন নিভায়। ইতিমধ্যে ইমরান ষ্টোর নামক  দোকানে থাকা সার কীটনাশক, মুদিখানা মালামাল ও ডেকোরেরের মালামাল পুড়িয়া অনুমান ২৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে যানা যায়। 

আতোভসোভা গ্রামের  ইদ্রিস আলীর ছেলে সিয়াম উদ্দিন আলমগীর  হোসেনের  ট্রাক ড্রাইভার হিসাবে গাড়ী চালাইয়া আসিতেছিল। ট্রাক গাড়ী চালানো কালীন সময়ে সিয়াম উদ্দিন ট্রাক গাড়ীর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও গাড়ীর তেল চুরি করিয়া অন্যত্রে বিক্রয় করে। উক্ত বিষয়টি জানাজানির পর গত ইং ০৮ জুলাই আতোশোভা-বড়গ্রাম বাজারে ইমরান ষ্টোর নামক দোকান ঘরে শালিশ বৈঠক হয়। শালিশ বৈঠকে স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ সিয়ামকে ৬৭ হাজার ৬শত টাকা জরিমানা করেন। ১৪ জুলাই ২০২৬ খ্রি. এর মধ্যে  সিয়াম উদ্দিন টাকা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেন । সিয়ামকে ওই দিন থেকেই গাড়ির ড্রাইভার থেকে বাদ দেয়া হয়। সিয়াম উদ্দিনকে  ট্রাক গাড়ীর ড্রাইভার হইতে বাদ দেওয়ার কারনে সে প্রতিশোধ মুলকভাবে সে একেরপর এক আগুন দিতে পারে বলে এলাকাবাসী জানান। 

বড়গ্রামের আক্কাজ আলী শেখ জানান,সিয়ামকে ট্রাক ড্রাইভার থেকে বাদ দেওয়ার পর আলমগীরের দোকান পুড়ে গেল।  বাড়ির পিঁয়াজের ঘরে আগুন দেওয়া হলো এর সাথে সিয়াম ও তার ভাইয়েরা জড়িত আছে বলে আমাদের ধারণা। 

সাঁথিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আনিসুর রহমান জানান, বার বার আগুনলাগা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়। এ ব্যাপারে শনিবার থানায় একটি মামলা হয়েছে।  

যোগফল অনলাইন নিউজ ডেস্ক 

ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ওমর-ফারুক-যুবরাজের-নেতৃত্বে-এনসিপিতে-যোগ-দিলেন-১৬০-বেসরকারি-বিশ্ববিদ্যালয়ের-শিক্ষার্থী

ঢাকা, ২৫ জুলাই: জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী দেশের বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেছেন। সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক ওমর ফারুক যুবরাজের নেতৃত্বে তারা নতুন রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত জাতীয় যুবশক্তির কনভেনশনে এই যোগদান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই আন্দোলনের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব ও নেতৃত্বদানকারী শিক্ষার্থীরা একযোগে এনসিপিতে যোগ দেন।

জুলাই অভ্যুত্থান ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠিত করা, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ওমর ফারুক যুবরাজ। তাঁর নেতৃত্বে আন্দোলনে সক্রিয় থাকা একাধিক শিক্ষানেতা এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

অনুষ্ঠানে নবাগতদের ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ করে নেন জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি তারিকুল, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সোহেল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক রিফাত।

এ সময় জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আক্তার হোসেন, নুসরাত তাবাসসুম, হান্নান মাসুদ, গাজী সালাহউদ্দিন তানভির, মাহিন সরকার, নাসির পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে।

যোগদানকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন ওমর ফারুক যুবরাজ, রবিউল আলম আকামিন, বাদশা, তাজরিয়ান মাহমুদ ও মাহমুদ হাসান তুহিন। বক্তারা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে তারা জাতীয় নাগরিক পার্টির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।

আয়োজকদের ভাষ্য, জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই যোগদান দেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২৬, ২:৫৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দস্যুদের আর পুনর্বাসন নয়, কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

সুন্দরবনে দস্যুতা দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে যথাযথ নজরদারির অভাবে সুন্দরবনে দস্যুতা বেড়েছে। তবে বর্তমান সরকার সুন্দরবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। দস্যুদের আর পুনর্বাসন করা হবে না—তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হবে, অন্যথায় কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

শনিবার (২৫ জুলাই) বাগেরহাটের মোংলা উপজেলা মিলনায়তনে ‘টেকসই উন্নয়নের জন্য সুন্দরবন ও উপকূলীয় জীবিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক দিনব্যাপী সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল আট হাজার ২৭১ জেলে পরিবারের জন্য সরকার ৬৬১ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন রক্ষায় সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতির পেছনে উপকূলীয় অঞ্চলের কিছু মানুষের অসচেতনতাও দায়ী। বিশেষ করে বিষ প্রয়োগ করে মাছ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সংলাপে সুন্দরবন সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি ও করণীয় নিয়ে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের অংশীজনরা মতবিনিময় করেন।

পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’, ব্রাইটার্স, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার, সচেতন ফাউন্ডেশন এবং ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, অধ্যাপক মো. আব্দুল আলীম, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শারমিন আক্তার সুমী, সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেফাতুল ইসলাম, জাতীয় নারীশক্তি ও এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জুলফিকার আলী, পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী, উপকূলীয় সাংবাদিকতা গবেষক রফিকুল ইসলাম মন্টু এবং ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)’র সদস্য সচিব শরীফ জামিলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সংলাপটি সঞ্চালনা করেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও ‘সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী মো. নূর আলম শেখ।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম